বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০৮:৩০ অপরাহ্ন

তুন যুগে একটি উচ্চ-পর্যায়ের চীন- কম্বোডিয়ার অভিন্ন লক্ষ্য গড়তে ইচ্ছুক চীন

মশিউর আনন্দ, ঢাকা: / ২৩৬ Time View
Update : শনিবার, ১১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩, ৪:৪৭ অপরাহ্ন

মশিউর আনন্দ:
১০ ফেব্রুয়ারি চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং তিয়াও ইউ থাই রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবনে কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী হুন সেনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।
প্রেসিডেন্ট সি বলেছেন, ৩ বছর আগে প্রধানমন্ত্রী হুন সেন চীন সফর করেছিলেন এবং কোভিড মহামারীর বিরুদ্ধে লড়াই করা চীনা জনগণের পাশে দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়েছিলেন ।চলতি বছর চীনের কমিউনিস্ট পার্টির বিংশ জাতীয় কংগ্রেসের চেতনা সার্বিকভাবে বাস্তবায়নের প্রথম বছর এবং চীন ও কম্বোডিয়ার কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার ৬৫ তম বার্ষিকী।
দেশটির সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা রক্ষায় কম্বোডিয়াকে দৃঢ়ভাবে সমর্থন করে চীন, প্রধান অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক এজেন্ডা এবং আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে কম্বোডিয়াকে দৃঢ়ভাবে সমর্থন করে এবং কম্বোডিয়ার অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপকারী বহিরাগত শক্তির দৃঢ় বিরোধিতা করে। নতুন যুগে একটি উচ্চ-পর্যায়ের, উচ্চ-স্তরের এবং উচ্চ-মানের চীন-কম্বোডিয়ার অভিন্ন লক্ষ্যের কমিউনিটি গড়ে তোলার জন্য কম্বোডিয়ার সঙ্গে সহযোগিতা করতে ইচ্ছুক চীন; যা দুই দেশের জনগণের জন্য আরও সুবিধা নিয়ে আসবে।
হুন সেন বলেন, চীনা নববর্ষের পর প্রথম বিদেশি নেতা হিসেবে অভ্যর্থনা পেয়ে তিনি আনন্দিত। কম্বোডিয়া চীনের মহান উন্নয়ন সাফল্যের প্রশংসা করে এবং বিশ্বাস করে যে প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের নেতৃত্বে চীন নির্ধারিত সময়ে একটি আধুনিক সমাজতান্ত্রিক দেশের লক্ষ্য অর্জন করবে।
কম্বোডিয়ার জনগণকে তাদের নিজস্ব অবস্থার সঙ্গে মানানসই উন্নয়নের পথ বেছে নেওয়ায় দৃঢ় সমর্থন করা এবং কম্বোডিয়ায় কোভিড মহামারী মোকাবিলায় সময় মত ও মূল্যবান সহায়তার জন্য চীনকে ধন্যবাদ জানান তিনি। কম্বোডিয়া দৃঢ়ভাবে ‘এক-চীন নীতি’ মেনে চলে, দেশের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা এবং উন্নয়নের স্বার্থ রক্ষায় চীনকে দৃঢ় সমর্থন করে, চীনের ‘এক দেশ, দুই ব্যবস্থা’ নীতিকে সমর্থন জানায় এবং চীনের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপকারী বহিরাগত শক্তির নিন্দা জানায়। ‘এক অঞ্চল, এক পথ’ উদ্যোগের যৌথ নির্মাণ, বিশ্ব উন্নয়ন উদ্যোগ এবং চীনের বিশ্ব নিরাপত্তা উদ্যোগ বিশ্বের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ। কম্বোডিয়া এতে সমর্থন করে এবং ইতিবাচক অংশ নেবে।।
প্রেসিডেন্ট সি জোর দিয়ে বলেন, উন্নয়ন শুধু কিছু দেশের অধিকার নয়। অর্থনীতি, বাণিজ্য, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিগত বিনিময় নিয়ে রাজনীতি এবং তাকে অস্ত্রে পরিণত করা এবং অন্যান্য দেশের উন্নয়ন রোধ করা আধিপত্যবাদী আচরণ। চীন দৃঢ়ভাবে জাতীয় সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও উন্নয়ন স্বার্থ রক্ষার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ন্যায্যতা ও ন্যায় বিচার দৃঢ়ভাবে রক্ষা করবে।
সূত্র: জিনিয়া, চায়না মিডিয়া গ্রুপ


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Design & Developed by : BD IT HOST